Advertise With Us Report Ads

সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল, ৬ জনের যাবজ্জীবন

LinkedIn
Twitter
Facebook
Telegram
WhatsApp
Email
সিনহা হত্যা ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল, ৬ জনের যাবজ্জীবন

বহুল আলোচিত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আরও ৬ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মোহাম্মদ সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মামলাটির উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল সব আসামির নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছিলেন।

ADVERTISEMENT
3rd party Ad. Not an offer or recommendation by dailyalo.com.

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তাঁকে সহায়তা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার, মো. আসাদ উদ্দিন এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. গিয়াসউদ্দিন গাজি, লাবনি আক্তার, তানভীর প্রধান, সুমাইয়া বিনতে আজিজ ও আসাদুল্লাহ আল গালিব।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এক রায়ে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সাতজনকে খালাস দেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক (বরখাস্ত) লিয়াকত আলী এবং টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকা ছয়জন হলেন – বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্তকৃত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা এবং টেকনাফ থানায় পুলিশের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

ADVERTISEMENT
3rd party Ad. Not an offer or recommendation by dailyalo.com.

বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, দণ্ডিত অন্য আসামিরাও আপিল ও জেল আপিল দায়ের করেছিলেন, যার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হলো আজকের রায়ের মাধ্যমে।

বিজ্ঞাপন
তৃতীয় পক্ষের বিজ্ঞাপন। dailyalo.com এর কোন প্রস্তাব বা সুপারিশ নয়।
বিজ্ঞাপন
তৃতীয় পক্ষের বিজ্ঞাপন। dailyalo.com এর কোন প্রস্তাব বা সুপারিশ নয়।

আরও পড়ুন